চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ এলাকায় বিষাক্ত মদপানে অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও ৩ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয়ভাবে কেনা চোলাই মদ পান করার পর এদের অসুস্থতা দেখা দেয়, যার জেরে শুক্রবার থেকে রোববারের মধ্যে পর্যায়ক্রমে মৃত্যু ঘটে।নিহতদের মধ্যে রয়েছেন নফরকান্দি গ্রামের ভ্যানচালক খেদের আলী (৪০), খেজুরা এলাকার মাছ ব্যবসায়ী সেলিম (৪০), পিরোজখালী গ্রামের লালটু ওরফে রিপু (৩০), শংকরচন্দ্র ইউনিয়নের শ্রমিক শহীদ (৪৫), টাওয়ারপাড়ার মিল শ্রমিক সামির (৫৫) এবং এশিয়া বিস্কুট ফ্যাক্টরি এলাকার শ্রমিক লালটু (৫২)।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ডিঙ্গেদহ বাজারে নফরকান্দি গ্রামের সোহাগ নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে অন্তত ৫০ জন মদ কিনেছিলেন। ওই মদ পান করার পরপরই বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পুলিশ সন্দেহভাজন সোহাগকে আটক করতে অভিযান শুরু করেছে।আজ সোমবার (১৩ অক্টোবর) সকালে চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগের একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। দলের প্রধান ও চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আওলিয়া রহমান বলেন, “যারা মদপানে অসুস্থ হয়েছেন কিন্তু প্রকাশ করছেন না, তারা যেন দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করেন। গোপনে চিকিৎসা নিতে গিয়ে কেউ যেন ঝুঁকির মুখে না পড়েন।”তিনি জানান, স্বাস্থ্য বিভাগের তত্ত্বাবধানে বিষক্রিয়ায় আক্রান্তদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ‘টক্সিকোলজি’ বিভাগে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রয়োজনে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে চুয়াডাঙ্গা থেকে রোগীদের নেওয়া হবে।চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ হিসেবে “অ্যালকোহল পয়জনিং” বা বিষাক্ত মদপানকেই দায়ী করা হচ্ছে।

























