৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে মোট ৯০৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের ২৬টি পদের জন্য লড়ছেন ৪১৫ জন প্রার্থী এবং ১৪টি আবাসিক হল ও ১টি হোস্টেলের ২১০টি পদের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৯৩ জন প্রার্থী।কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি (ভিপি) পদে ২৪ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ২২ জন এবং সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ২১ জন প্রার্থী রয়েছেন। প্রতিটি হলে ১৪টি করে পদ থাকায় মোট পদসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১০টি। ছাত্রীদের ৫টি হলে ৭০টি পদের জন্য লড়ছেন ১২৩ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ১৬টি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় প্রার্থী নির্বাচিত হচ্ছেন, ফলে ৫৩টি পদের জন্য ভোট হবে।চাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২৭,৫১৬ জন, যার মধ্যে ১১,১৫৬ জন ছাত্রী। ভোট গ্রহণ হবে ব্যালট পেপারে, আর গণনা হবে OMR প্রযুক্তিতে। নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ নজরদারি থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ভবনে মোট ১৫টি ভোটকেন্দ্র ও ৮৬টি ভোটকক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে।নির্বাচনে ১৩টি প্যানেল অংশ নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ছাত্রদলের প্যানেল, ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’, বামপন্থী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘বৈচিত্র্যের ঐক্য’, ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের যৌথ প্যানেল ‘দ্রোহ পর্ষদ’, এবং জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের জোট ‘বিনির্মাণ শিক্ষার্থী ঐক্য’।ক্যাম্পাসজুড়ে ধারণা করা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে ‘বিনির্মাণ শিক্ষার্থী ঐক্য’ ও ‘দ্রোহ পর্ষদ’-এর মধ্যে।চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বশেষ চাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি। ৩৫ বছর পর অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা ও উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
























