২০২৬ সালের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে এশিয়ার দুটি উদীয়মান ক্রিকেট শক্তি—নেপাল ও ওমান। এশিয়া–প্যাসিফিক অঞ্চলের বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে তারা দুই ম্যাচ হাতে রেখেই নিশ্চিত করেছে বিশ্বকাপের টিকিট।ওমানের রাজধানী মাস্কটের নিকটবর্তী আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ৯টি দল নিয়ে শুরু হয় আঞ্চলিক বাছাইপর্বের চূড়ান্ত লড়াই। গ্রুপ পর্ব শেষে ৬ দল ওঠে সুপার সিক্সে—ওমান, নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জাপান, কাতার ও সামোয়া। এই পর্বেই নেপাল ও ওমান নিজেদের প্রথম তিনটি ম্যাচ জিতে মোট ৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করে, যা তাদের শীর্ষে তোলে এবং আগেভাগেই বিশ্বকাপের মূল পর্বের যোগ্যতা নিশ্চিত করে।আজ (১৫ অক্টোবর) সামোয়ার বিপক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ৭৭ রানের জয়ে পয়েন্ট তালিকার সমীকরণ এমনভাবে দাঁড়ায় যে, নেপাল ও ওমানের স্থান আর নিচে নামার সুযোগ থাকে না। এর ফলে দুই দলই আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপে জায়গা পেয়ে যায়।২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি–মার্চে ভারত ও শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ইতোমধ্যে ২০ দলের মধ্যে ১৯টি দল নির্ধারিত হয়েছে। এর মধ্যে স্বাগতিক ভারত ও শ্রীলঙ্কা ছাড়াও ২০২৪ আসরের শীর্ষ সাত দল—আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ—আগেই জায়গা নিশ্চিত করেছে।এ ছাড়া নির্দিষ্ট সময়ের র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকায় সরাসরি অংশ নিচ্ছে আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান। আর আঞ্চলিক বাছাইয়ের মাধ্যমে এরই মধ্যে যোগ দিয়েছে কানাডা (আমেরিকা অঞ্চল), ইতালি ও নেদারল্যান্ডস (ইউরোপ), নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়ে (আফ্রিকা)।এশিয়া–প্যাসিফিক অঞ্চলের তিনটি বরাদ্দের মধ্যে দুটি দখল করল নেপাল ও ওমান। এখন তৃতীয় স্থানটির জন্য লড়াই চলছে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জাপানের মধ্যে।নেপালের ক্রিকেট ইতিহাসে এটি বড় অর্জন, কারণ টানা দ্বিতীয়বারের মতো তারা টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে যাচ্ছে। অপরদিকে, ওমানের জন্য এটি তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ মঞ্চে পা রাখার সুযোগ।বিশ্লেষকদের মতে, আঞ্চলিক পর্যায়ে এদের ধারাবাহিক সাফল্য প্রমাণ করে—দক্ষিণ এশিয়ার বাইরেও ক্রিকেটের প্রভাব দ্রুত বিস্তার লাভ করছে।

























