২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সব জেলা ও বিভাগীয় জেলা ক্রীড়া সংস্থার কমিটি ভেঙে অ্যাডহক কমিটি গঠন করে দেশের সব ক্রীড়া ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত কমিটি ভেঙে দেয়। নির্বাচনের বিষয়ে তখনো কোনো নির্দেশনা ছিল না ক্রীড়া পরিষদের। ফলে গত দেড় বছর বিভিন্ন ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশন চলেছে অ্যাডহক কমিটি দিয়ে। গত বছরের ৩০ অক্টোবর পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ আমিনুল এহসানের সই করা চিঠিতে নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশনা দেওয়া হয়। তাতে সাড়া মিলছে না। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের চিঠিতে উল্লেখ ছিল, ‘দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনার জন্য ৪৯টি জাতীয় ক্রীড়া সংস্থার (ফেডারেশন/অ্যাসোসিয়েশন/সংস্থা) আগের কমিটি ভেঙে দিয়ে বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো নির্বাচন আয়োজন এবং নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া। সেই পরিপ্রেক্ষিতে অনতিবিলম্বে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ করা হলো।’
অ্যাডহক কমিটি দিয়ে চলছে ক্রীড়া ফেডারেশনগুলো। প্রায় দুই মাস আগে নির্বাচন দেওয়ার জন্য দেশের ৪৯টি ক্রীড়া ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনে চিঠি দিয়েছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। কিন্তু তেমন সাড়া মেলেনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) মোহাম্মদ আমিনুল এহসান। তিনি বলেন, ‘আমরা মাত্র দুটি ফেডারেশন গলফ ও আরচারি থেকে নির্বাচন আয়োজনের চিঠি পেয়েছি।’
সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন আয়োজনের জন্য জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে চিঠি দিলেও আরচারিতে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। কারণ নির্বাহী কমিটির ক্ষমতা সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদের হাতে থাকলেও তাকে পাশ কাটিয়ে নির্বাচন আয়োজনের চিঠিতে সই করেছেন সভাপতি ড. মো. মোখলেস উর রহমান। সূত্র আরও জানায়, কাউন্সিলরদের তালিকা পূর্ণাঙ্গ না করেই তড়িঘড়ি করে নির্বাচনের আয়োজন করার অর্থই হলো একটি পক্ষকে সুবিধা পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া।’























