বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রের মারাত্মক সংক্রমণে বর্তমানে ‘সংকটাপন্ন’ অবস্থায় হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। নতুন করে নিউমোনিয়া ধরা পড়ায় গত রোববার থেকে তিনি হাসপাতালে আছেন—এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিএনপি।শনিবার সকালে খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা এবং তারেক রহমানের দেশে ফেরার প্রসঙ্গে বিএনপি প্রথমে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়। এরপর একই সুরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস প্রকাশ করেন।স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, “বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ ও সংকটাপন্ন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যায় রয়েছেন।”বিএনপির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিজের জন্মদাত্রীর শয্যাপাশে শারীরিকভাবে উপস্থিত না থাকলেও তারেক রহমান সার্বক্ষণিকভাবে মায়ের প্রতিটি উন্নতি–অবনতির খোঁজ রাখছেন। মেডিকেল বোর্ডের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণেও তার রয়েছে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ।তারেক রহমান আরও লিখেছেন—“এমন সঙ্কটকালে মায়ের স্নেহস্পর্শ পাবার তীব্র আকাঙ্ক্ষা আমারও আছে। কিন্তু অন্য সবার মতো তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমার একক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ সবসময় অবারিত নয়। বিষয়টি স্পর্শকাতর, তাই বিস্তারিত ব্যাখ্যার অবকাশও সীমিত।”দেশে ফেরার বিষয়ে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন—“রাজনৈতিক বাস্তবতার সেই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছামাত্রই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আমার সুদীর্ঘ প্রতিক্ষার অবসান ঘটবে।”এর আগে রোববার হাসপাতালে নেওয়ার পর খালেদা জিয়ার ফুসফুস ও হৃদযন্ত্রে একযোগে গুরুতর সংক্রমণ রয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল নয়; তাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনেও উৎকণ্ঠা বাড়ছে।























