আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা প্রতিরোধে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ভবনে শুরু হয়েছে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।উদ্বোধনী বক্তব্যে সিইসি বলেন, “নির্বাচনের সময় ভুল তথ্য বা প্রোপাগান্ডা ঠেকাতে এআই এখন সময়ের দাবি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তথ্য যাচাই ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানো সম্ভব হবে।”তিনি আরও বলেন, “এআই অবশ্যই ভালো কাজ করছে, কিন্তু মানব মস্তিষ্ক ও দক্ষতার সমন্বয় ঘটলে ফলাফল আরও কার্যকর হবে। এই প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য হলো সেই যৌথ প্রয়াসের মাধ্যমে ভুল তথ্য মোকাবিলার সুনির্দিষ্ট কৌশল তৈরি করা।”সিইসি নাসির উদ্দীন জানান, নির্বাচনের সময় দিন–রাতের যেকোনো মুহূর্তে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াতে পারে। তাই ২৪ ঘণ্টা সচল এআই টিম গঠন করা হবে, যারা তাৎক্ষণিকভাবে এসব তথ্য শনাক্ত ও যাচাই করবে।তিনি আরও বলেন, “কতজন লোক লাগবে, তাদের দক্ষতা কেমন হবে, কোন সংস্থা যুক্ত থাকবে—এসব বিষয়ে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা দরকার। আমি শুধু নীতিগত কথা নয়, বরং বাস্তবায়নযোগ্য প্রস্তাব চাই।”প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে নির্বাচন কমিশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক এবং ফ্যাক্টচেকিং সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।সিইসি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রশিক্ষণ থেকে প্রাপ্ত সুপারিশগুলো ভবিষ্যৎ নির্বাচনে ভুয়া তথ্য ও গুজব মোকাবিলায় কার্যকর ফ্যাক্টচেকিং অবকাঠামো তৈরিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

























