ঢাকার আশুলিয়ায় জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় সহ–সভাপতি আইয়ুব আলী সিকদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শনিবার রাতে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয় বলে নিশ্চিত করেছে আশুলিয়া থানার একটি সূত্র।দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী ‘স্থানীয় গডফাদার’স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের ব্যানার ব্যবহার করে আইয়ুব আলী সিকদার আশুলিয়া এলাকায় ভূমিদস্যুতা, চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। সরকারি জমি ও সাধারণ মানুষের সম্পত্তি দখল করা ছিল তার নিয়মিত কর্মকাণ্ড। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও নিয়মিত চাঁদা আদায় করতেন তিনি।ছাত্র আন্দোলনে অস্ত্র–সরবরাহের অভিযোগগত জুলাই–আগস্ট মাসে চলমান ছাত্র–জনতার আন্দোলনের সময় তিনি অস্ত্র সরবরাহ ও গুলি চালনার ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি তৎকালীন সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলামের হয়ে অস্ত্র পরিবহনের দায়ে অভিযুক্ত হন, তবে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তখনও ধরা পড়েননি।মুক্তির জন্য রাজনৈতিক তদবিরআইয়ুব আলী সিকদারের গ্রেপ্তারের পর থেকেই বিএনপির এক শীর্ষ নেতা থানার ওসির কাছে তদবির করছেন বলে জানা গেছে।অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী একটি মহল তাকে ‘ছোট মামলায়’ চালান দিয়ে দ্রুত জামিনের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছে।
ছাত্র–জনতার ক্ষোভএই ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসছে আশুলিয়া ও আশপাশের এলাকায় ছাত্র ও সাধারণ মানুষ।তাদের ভাষ্য“একজন ছাত্র হত্যাকারী, অস্ত্র ব্যবসায়ী আর দুর্নীতিবাজ নেতা যদি টাকার জোরে মুক্তি পায়, তাহলে বিচারব্যবস্থা অর্থহীন হয়ে যাবে।”ছাত্র–জনতা দাবি জানিয়েছে, আইয়ুব আলী সিকদারকে ছাত্র হত্যার মামলায় সরাসরি অভিযুক্ত করে দ্রুত বিচার করতে হবে এবং আইন–শৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে তদন্ত পরিচালনার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

























