জাহেদ পারভেজ চৌধুরী, “একজন ফুটবলার একজন রাজনৈতিক কর্মী”। বাংলাদেশের এই তাকরা মিডফিল্ডার দুই দশক ঢাকার ফুটবল মাতিয়েছেন । বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের জার্সিতেও ছিলেন অনন্য।
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে জন্ম নেয়া জাহেদ ফুটবল ছেড়ে এখন পাকা রাজনীতিবিদ। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর একজন একনিষ্ঠ কর্মী। বিএনপি এর ক্রীড়া দলের সদস্য সচিব এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র সদস্য। ফুটবলার হিসেবে যেমন বর্ণিল জীবন কাটিয়েছেন, রাজনীতিতে পা রেখে সেখানে নিজেকে প্রমাণ করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত ।
বিএনপির ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক জাতীয় দলের সাবেক গোলরক্ষক আমিনুল হকের স্নেহধন্য জাহেদ ফুটবলার হিসেবে যেমন সকলের পছন্দের, রাজনীতিতেও তিনি অজাতশত্রু হিসেবে এরই মধ্যে সকলের প্রশংসা কুঁড়িয়েছেন। ফুটবল ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে যাত্রা কয়েক বছরে হলেও, জ্ঞান হওয়ার পর থেকে বিএনপিকেই মনে-প্রাণে ধারণ করে বড় হয়েছেন। এর পেছনের মূল কারণ হলো সদ্য প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন এবং তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
জাহেদ পারভেজ মা ভক্ত। খালেদা জিয়ার নামটি যেদিন থেকে শুনেছেন, সেদিন থেকে নিজের মায়ের পাশাপাশি বেগম জিয়াকেও মনে-প্রাণে মা-ই জেনেছেন। এর প্রধান কারণ হলো জাহেদের মায়ের নাম আর আপোষহীন নেত্রীর নাম একই। ফুটবল খেলার দরুণ বেগম জিয়াকে কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতা হয়েছে জাহেদের।
প্রিয়নেত্রী, মা-তুল্য নেত্রীকে হারিয়ে আপ্লুত জাহেদ জানান, ‘‘আমার মায়ের নাম খালেদা বেগম। ছোট বেলা থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখলেই আমার মায়ের চেহারা ভেসে উঠতো। আমার বুকের ভেতর থেকেই আপন আপন অনুভূতি হতো। আমি একজন ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে লড়াই করেছিলাম প্রতিটি মুহূর্তে হার না মানার মানসিকতা, সাহস আর শৃঙ্খলা নিয়ে। এই মূল্যবোধগুলো গড়ে উঠেছে যাঁদের আদর্শ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে, তাঁদের মধ্যে অন্যতম হলেন তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।২০১৮ সালে শেখ হাসিনা সরকার যখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে রেখেছিল তখন আমরা জনাব আমিনুল হক ভাইয়ের নেতৃত্বে কারাগারে দেখার জন্য অবস্থান নিয়েছিলাম- বলে রাখি আমার খেলার জীবনের সেরা সময় ছিল।তারপর দেশের গোয়েন্দাদের নজরে পরার জন্য খেলার লাইফ কে লম্বা করতে৷ পারি নাই ।”
জাহেদ আরও যোগ করেন, ‘‘তাঁর দৃঢ়তা, সততা, আত্মমর্যাদা ও প্রতিকূলতার মাঝেও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছিল। আমার মায়ের নামের সাথে (খালেদা বেগম) প্রিয় নেত্রীর নামের মিল থাকায় ছোট থেকেই তার প্রতি জন্ম নেয় শ্রদ্ধা, সম্মান ও ভালোবাসা। আমি একজন জাতীয় ফুটবলার হওয়ায় তাকে কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছিলো। দেখেছিলাম একজন খেলোয়াড়ের প্রতি তার ভালোবাসা। তিনি যেমন সততা, নিষ্ঠার সাথে দেশ পরিচালনা করেছিলেন ঠিক তেমনি খেলোয়াড়দের সব সময় সন্মানিত করেছেন। খেলাধুলার প্রতি তার এমন ভালোবাসার কারনে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত ফুটবলে এসেছিলো জনপ্রিয়তা।’’























